তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি • ৯ম শ্রেণি • দ্বিতীয় অধ্যায়
কম্পিউটার রক্ষণাবেক্ষণ ও সাইবার নিরাপত্তা
MCQ + শর্ট প্রশ্ন (১-২ মার্কস) — সম্পূর্ণ নোট
আনইনস্টল (Uninstall)
আনইনস্টল: নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে সফটওয়্যার সম্পূর্ণরূপে মুছে ফেলার প্রক্রিয়া। এতে রেজিস্ট্রি ফাইলসহ সব তথ্য পরিষ্কার হয়।
Windows-এ আনইনস্টলের ধাপ:
- Start → Control Panel → Add or Remove / আনইনস্টল প্রোগ্রামে যাও
- তালিকা থেকে সফটওয়্যারটি খুঁজে ক্লিক করো
- Uninstall ক্লিক করলে ফাইলটি আনইনস্টল হওয়া শুরু হবে
- আনইনস্টলের পর সাধারণত কম্পিউটার রিস্টার্ট করতে হয়
ডিলিট (Delete)
ডিলিট: সফটওয়্যারের ফাইল মুছে ফেলা। কিন্তু অপারেটিং সিস্টেমের রেজিস্ট্রি ফাইলে কিছু অংশ থেকে যায় — ফলে সমস্যা তৈরি হতে পারে।
সম্পূর্ণ ডিলিটের ধাপ (Registry থেকে):
- প্রথমে পূর্বের নিয়মে আনইনস্টল করো
- Win + R চেপে Run Command চালু করো → regedit লিখে OK
- File মেনু → Export → C ড্রাইভ সিলেক্ট → নাম দিয়ে Save (Backup)
- Edit → Find → সফটওয়্যারের নাম খুঁজো → Find Next
- পাওয়া ফাইলটি সিলেক্ট করে ডান বাটন ক্লিক → Delete
- F3 চেপে রেজিস্ট্রির সব জায়গা থেকে ঐ নামের ফাইলগুলো মুছে দাও
| বিষয় | আনইনস্টল | ডিলিট |
|---|---|---|
| সংজ্ঞা | নিয়ম মেনে সম্পূর্ণ মুছে ফেলা | শুধু ফাইল মুছে ফেলা |
| রেজিস্ট্রি | পরিষ্কার হয় | রেজিস্ট্রিতে অংশ থেকে যায় |
| সমস্যা | সমস্যা হয় না | পরবর্তীতে সমস্যা হতে পারে |
| পদ্ধতি | Control Panel থেকে | সরাসরি ফোল্ডার থেকে |
আনইনস্টল করলে সফটওয়্যারটির কিছু অংশ অপারেটিং সিস্টেমের রেজিস্ট্রি ফাইলে থেকে যায়। তাই সম্পূর্ণ মুছতে registry থেকেও ডিলিট করতে হয়।
🔐
তথ্যের প্রকারভেদ
| ধরন | বর্ণনা | উদাহরণ |
|---|---|---|
| উন্মুক্ত তথ্য | সবার অবাধ প্রবেশাধিকার আছে | সংবাদ, প্রবন্ধ, প্রেস রিলিজ |
| গোপনীয় তথ্য | অনুমোদিত ব্যক্তির মধ্যে সীমাবদ্ধ | বাণিজ্যিক চুক্তি, পাসওয়ার্ড, জাতীয় পরিচয়পত্র |
সাইবার জগৎ: ইন্টারনেট, ডেটা এবং কোড দ্বারা গঠিত ভার্চুয়াল জগৎ যেখানে মানুষ একে অপরের সাথে যোগাযোগ করতে পারে।
এনক্রিপশন (Encryption): মেসেজ, ডেটা বা তথ্যকে এনকোড করার এমন একটি বিশেষ প্রক্রিয়া যা অননুমোদিত কেউ পড়তে বা বুঝতে পারে না।
🦹
সাইবার অপরাধ: অনলাইন বা ইন্টারনেট ব্যবহার করে যেসব অপরাধ সংঘটিত হয়। কম্পিউটার/ডিজিটাল ডিভাইস ও ইন্টারনেট অবশ্যই ব্যবহৃত হয়।
হ্যাকিং (Hacking)
হ্যাকিং: অনুমতি ব্যতীত কোনো ওয়েবসাইট বা কম্পিউটার নেটওয়ার্কে প্রবেশ করে তা ব্যবহার করা বা নিয়ন্ত্রণ নেওয়া।
| হ্যাকারের ধরন | পরিচয় | কাজ |
|---|---|---|
| বৈধ হ্যাকার (White Hat) |
প্রতিষ্ঠান নিয়োগ দেয় | সিকিউরিটি চেক করে, ক্ষতি করে না |
| অবৈধ হ্যাকার / ক্র্যাকার (Black Hat) |
Craker বলা হয় | ডেটা চুরি বা নষ্ট করে, পাসওয়ার্ড জেনে নেয় |
অবৈধভাবে যারা হ্যাকিং করে তাদেরকে ক্র্যাকার (Craker)ও বলে। হ্যাকাররা ইমেইল দেখতে পারে, ওয়েব সার্ভারে বিনা অনুমতিতে প্রবেশ ও নেটওয়ার্কে ফাইল চুরি করতে পারে।
ব্রুট ফোর্স অ্যাটাক (Brute Force Attack)
Brute Force Attack: বিভিন্ন ধরনের পাসওয়ার্ড বা এনক্রিপশন কি-গুলোর বিভিন্ন সংমিশ্রণ নিয়ে trial and error পদ্ধতিতে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সঠিক পাসওয়ার্ড খুঁজে বের করার চেষ্টা।
বাস্তব জীবনে চোর যেমন বিভিন্ন চাবি দিয়ে তালা খোলার চেষ্টা করে, ডিজিটাল জগতে ব্রুট ফোর্স অ্যাটাক ঠিক তেমনই। ব্যাংক, সোশ্যাল মিডিয়া, ইমেইল অ্যাকাউন্ট — সব ক্ষেত্রে এই আক্রমণ হতে পারে। শক্তিশালী পাসওয়ার্ড থাকলে এটি প্রতিরোধ করা সম্ভব।
ডেটা ইন্টারসেপশন (Data Interception)
Data Interception: তথ্য আদান-প্রদানের সময় প্রাপক এবং প্রেরকের মধ্যবর্তী কেউ তা আড়ি পেতে চুরি করা।
উদাহরণ: পানির পাইপের মাঝে কেউ কেটে পানি সরিয়ে নিলে যেমন কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হয়, ঠিক তেমনই ডিজিটাল মাধ্যমে তথ্য মাঝপথে চুরি হলে সঠিক তথ্য পৌঁছায় না।
প্রতিরোধ: End-to-end এনক্রিপশন ব্যবহার করলে মধ্যবর্তী কারো পক্ষে তথ্য চুরি প্রায় অসম্ভব হয়।
প্রতিরোধ: End-to-end এনক্রিপশন ব্যবহার করলে মধ্যবর্তী কারো পক্ষে তথ্য চুরি প্রায় অসম্ভব হয়।
ডি ডস আক্রমণ (DDoS — Distributed Denial of Service)
DDoS Attack: একই সময়ে একাধিক ডিভাইস ব্যবহার করে একটি নির্দিষ্ট ওয়েবসাইট বা অনলাইন সেবাকে প্রচুর ট্র্যাফিকের সাথে প্লাবিত করে ধীরগতি বা Crash করানো।
উদ্দেশ্য: সিস্টেমটিকে মোহাবিষ্ট করা যাতে প্রকৃত ব্যবহারকারীরা অ্যাক্সেস বা ব্যবহার করতে না পারে।
উদাহরণ: টিভিতে সাক্ষাৎকার দেওয়া ব্যক্তিকে যদি একসাথে অনেকে একসাথে প্রশ্ন করেন, তাহলে তিনি কোনো কিছু ঠিকমতো বলতে পারবেন না — DDoS ঠিক এভাবেই কাজ করে।
উদাহরণ: টিভিতে সাক্ষাৎকার দেওয়া ব্যক্তিকে যদি একসাথে অনেকে একসাথে প্রশ্ন করেন, তাহলে তিনি কোনো কিছু ঠিকমতো বলতে পারবেন না — DDoS ঠিক এভাবেই কাজ করে।
কম্পিউটার ম্যালওয়্যার (Computer Malware)
ভাইরাস (Virus)ফাইলে যুক্ত হয়ে ছড়িয়ে পড়ে, ডেটা নষ্ট করে
ওয়ার্ম (Worm)নেটওয়ার্কে নিজেই ছড়িয়ে পড়ে
ট্রোজান (Trojan)বৈধ সফটওয়্যার হিসেবে প্রবেশ করে ক্ষতি করে
স্পাইওয়্যার (Spyware)ব্যবহারকারীর তথ্য গোপনে সংগ্রহ করে
র্যানসমওয়্যারফাইল লক করে মুক্তিপণ দাবি করে
অ্যাডওয়্যারঅবাঞ্ছিত বিজ্ঞাপন দেখায়
📰
ফেইক নিউজ: সংবাদ হিসেবে উপস্থাপিত মিথ্যা বা বিভ্রান্তিকর তথ্য যা মানুষকে প্রতারিত বা মতামতকে প্রভাবিত করার জন্য ইচ্ছাকৃতভাবে ছড়িয়ে দেওয়া হয়।
আইনি বিধান: বাংলাদেশে তথ্য ও প্রযুক্তি আইন ২০০৬ মোতাবেক সাইবার বুলিং এবং ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে ফেইক নিউজ ছড়ানোর জন্য —
• সর্বোচ্চ ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
• অথবা সর্বোচ্চ ১ কোটি টাকা অর্থদণ্ড
• অথবা উভয় দণ্ড
• সর্বোচ্চ ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
• অথবা সর্বোচ্চ ১ কোটি টাকা অর্থদণ্ড
• অথবা উভয় দণ্ড
সাইবার আক্রমণের শিকার হলে করণীয়
- যত দ্রুত সম্ভব ন্যাশনাল হেল্পলাইন ১০৯, ন্যাশনাল ইমার্জেন্সি সার্ভিস ৯৯৯ অথবা ICT হেল্পলাইনে যোগাযোগ করতে হবে।
- প্রযুক্তিতে দক্ষ কারো সাহায্য নেওয়া।
- প্রমাণক সহ www.rab.gov.bd ওয়েবসাইটে অভিযোগ পাঠানো।
- পিতা-মাতা বা পরিবারের সদস্যদের সাথে শেয়ার করা।
- ডিজিটাল ডিভাইস বন্ধ করে রাখা।
- BTRC-বরাবর লিখিত অভিযোগ জানানো।
- নিকটস্থ থানায় সাধারণ ডায়েরি বা জিডি করা।
- ভোক্তা অধিকারের চর্চা করা।
- অপরাধের প্রমাণগুলো সংগ্রহ করা।
📱
আসক্তি: যখন কেউ জানে কাজটি করা ঠিক হচ্ছে না, তারপরও সেই কাজটি না করে থাকতে পারে না।
কম্পিউটার গেমে আসক্তির লক্ষণ
- সারাক্ষণ শুধু সেই গেমটির ভাবনাই মাথায় থাকে।
- গেমটি খেলতে বসলে ভেতরে এক ধরনের অস্বাভাবিক উত্তেজনা ভর করে।
- দৈনন্দিন জীবনের কাজকর্মে ব্যাঘাত ঘটে।
- লেখাপড়ায় অমনোযোগী হয়ে ওঠে।
- জোর করে খেলা থেকে বিরত রাখলে শারীরিক অস্বস্তি হয়।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আসক্তির কারণ
মনোবিজ্ঞানের ভাষায় narcissism — সামাজিক যোগাযোগের সাইটগুলো মানুষের এই সুপ্ত বাসনাকে জাগ্রত করে দেয়। নিজেকে জনপ্রিয় করে তোলার প্রতিযোগিতা শুরু হয়। একজন ব্যবহারকারী ঘণ্টার পর ঘণ্টা এতে সময় অপচয় করে।
আসক্তি থেকে মুক্ত থাকার উপায়
- কম্পিউটার গেম বা ইন্টারনেট আসক্তির বিষয়টি নিজে স্বীকার করে নেওয়া।
- জীবনের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের তালিকা করা।
- কম্পিউটার গেমের জায়গাটু কোথায় সেটি নিজেকে বোঝানো।
- কখনোই কম্পিউটার গেমের কারণে দৈনন্দিন কাজে ব্যাঘাত না ঘটানো।
- ভাই-বোন, বাবা-মাকে বেশি সময় দেওয়া।
💿
সফটওয়্যার পাইরেসি: লাইসেন্স ছাড়া কপিরাইটযুক্ত সফটওয়্যার অননুমোদিতভাবে ব্যবহার, বিতরণ বা পুনরুৎপাদন করা।
End User Piracyএকটি লাইসেন্স দিয়ে একাধিক কম্পিউটারে ব্যবহার
Counterfeitingসফটওয়্যার নকল করে বিক্রি
Internet Piracyইন্টারনেট থেকে অবৈধভাবে ডাউনলোড
Hard Disk Loadingকম্পিউটার বিক্রির সময় অবৈধ সফটওয়্যার ইনস্টল করা
ক্ষতি: সফটওয়্যার নির্মাতারা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। নতুন সফটওয়্যার তৈরির অনুপ্রেরণা কমে যায়। পাইরেটেড সফটওয়্যারে ম্যালওয়্যার থাকতে পারে।
🔧
ট্রাবলশুটিং: সমস্যার উৎস বা উৎপত্তিস্থল নির্ণয়ের প্রক্রিয়া। সাধারণত কিছু প্রশ্ন উপস্থাপন করা হয় এবং পাশাপাশি সমাধান দেওয়া থাকে।
প্রতিটি ইলেকট্রনিক যন্ত্রের সাথে একটি করে ম্যানুয়াল বা ব্যবহার নির্দেশিকা থাকে। এর শেষদিকে এক বা দুটি পৃষ্ঠায় থাকে ট্রাবলশুটিং। কম্পিউটার/আইসিটি যন্ত্রে ট্রাবলশুটিং একটু বেশি প্রয়োজন কারণ এগুলো আমরা অনেক বেশি সময় ব্যবহার করি।
📝
🎯 গুরুত্বপূর্ণ MCQ — সম্পূর্ণ সেট
১. Software Uninstall করলে সফটওয়্যারটির কোথায় কিছু অংশ থেকে যায়?
(ক) Desktop-এ
(খ) Registry ফাইলে
(গ) Recycle Bin-এ
(ঘ) Temp ফোল্ডারে
✅ উত্তর: (খ) Registry ফাইলে
২. সফটওয়্যার সম্পূর্ণ ডিলিট করতে Registry Editor খুলতে Run-এ কী টাইপ করতে হয়?
(ক) cmd
(খ) msconfig
(গ) regedit
(ঘ) control
✅ উত্তর: (গ) regedit
৩. Registry থেকে সব জায়গায় একটি নামের ফাইল মুছতে কোন কী ব্যবহার হয়?
(ক) F1
(খ) F2
(গ) F3
(ঘ) F5
✅ উত্তর: (গ) F3
৪. অনুমতি ব্যতীত নেটওয়ার্কে প্রবেশ করে ডেটা চুরি করাকে কী বলে?
(ক) স্প্যামিং
(খ) হ্যাকিং
(গ) ফিশিং
(ঘ) স্পুফিং
✅ উত্তর: (খ) হ্যাকিং
৫. অবৈধভাবে হ্যাকিং করে যারা ডেটা চুরি বা নষ্ট করে তাদের কী বলে?
(ক) White Hat Hacker
(খ) Ethical Hacker
(গ) Craker
(ঘ) Programmer
✅ উত্তর: (গ) Craker (ক্র্যাকার)
৬. Trial and error পদ্ধতিতে পাসওয়ার্ড অনুমান করে আক্রমণকে কী বলে?
(ক) DDoS Attack
(খ) Data Interception
(গ) Brute Force Attack
(ঘ) Phishing
✅ উত্তর: (গ) Brute Force Attack
৭. ডেটা আদান-প্রদানের সময় মধ্যবর্তী কেউ তথ্য চুরি করাকে বলে —
(ক) DDoS Attack
(খ) Data Interception
(গ) Brute Force
(ঘ) Malware
✅ উত্তর: (খ) Data Interception
৮. DDoS-এর পূর্ণরূপ কী?
(ক) Digital Denial of Service
(খ) Distributed Denial of Service
(গ) Data Denial of System
(ঘ) Direct Denial of Security
✅ উত্তর: (খ) Distributed Denial of Service
৯. Encryption হলো —
(ক) ডেটা মুছে ফেলার প্রক্রিয়া
(খ) তথ্যকে এনকোড করার বিশেষ প্রক্রিয়া যা অননুমোদিত কেউ পড়তে পারে না
(গ) ডেটা ব্যাকআপের প্রক্রিয়া
(ঘ) ভাইরাস সরানোর পদ্ধতি
✅ উত্তর: (খ)
১০. সাইবার আক্রমণের শিকার হলে প্রথমে কোথায় যোগাযোগ করতে হবে?
(ক) ৯৯৯ বা ১০৯
(খ) ৯৯৯ বা ৯৯৮
(গ) ১৯৯ বা ৯৯৯
(ঘ) ১০৯ বা ১১২
✅ উত্তর: (ক) ৯৯৯ বা ১০৯ (ICT হেল্পলাইনও)
১১. ফেইক নিউজ ছড়ানোর জন্য বাংলাদেশে সর্বোচ্চ কত বছর কারাদণ্ড হতে পারে?
(ক) ৫ বছর
(খ) ৭ বছর
(গ) ১০ বছর
(ঘ) ১৪ বছর
✅ উত্তর: (গ) ১০ বছর
১২. ফেইক নিউজ ছড়ানোর জন্য সর্বোচ্চ অর্থদণ্ড কত?
(ক) ৫০ লক্ষ টাকা
(খ) ১ কোটি টাকা
(গ) ২ কোটি টাকা
(ঘ) ৫ কোটি টাকা
✅ উত্তর: (খ) ১ কোটি টাকা
১৩. সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আসক্তির মনোবৈজ্ঞানিক কারণ কোনটি?
(ক) Altruism
(খ) Narcissism
(গ) Empathy
(ঘ) Anxiety
✅ উত্তর: (খ) Narcissism
১৪. ট্রাবলশুটিং হলো —
(ক) সফটওয়্যার ইনস্টলের প্রক্রিয়া
(খ) সমস্যার উৎস নির্ণয়ের প্রক্রিয়া
(গ) ডেটা ব্যাকআপের প্রক্রিয়া
(ঘ) নেটওয়ার্ক সংযোগের প্রক্রিয়া
✅ উত্তর: (খ) সমস্যার উৎস নির্ণয়ের প্রক্রিয়া
১৫. লাইসেন্স ছাড়া সফটওয়্যার ব্যবহার করাকে কী বলে?
(ক) হ্যাকিং
(খ) পাইরেসি
(গ) স্প্যামিং
(ঘ) ফিশিং
✅ উত্তর: (খ) পাইরেসি
১৬. নিচের কোনটি ম্যালওয়্যারের উদাহরণ নয়?
(ক) ভাইরাস
(খ) ওয়ার্ম
(গ) ফায়ারওয়াল
(ঘ) ট্রোজান
✅ উত্তর: (গ) ফায়ারওয়াল (এটি সুরক্ষা ব্যবস্থা)
১৭. উন্মুক্ত তথ্যের উদাহরণ কোনটি?
(ক) পাসওয়ার্ড
(খ) বাণিজ্যিক চুক্তি
(গ) সংবাদ বা প্রেস রিলিজ
(ঘ) জাতীয় পরিচয়পত্র
✅ উত্তর: (গ) সংবাদ বা প্রেস রিলিজ
১৮. বৈধ হ্যাকারকে কী বলে?
(ক) Black Hat Hacker
(খ) Craker
(গ) White Hat Hacker
(ঘ) Grey Hat
✅ উত্তর: (গ) White Hat Hacker
✍️ শর্ট প্রশ্ন ও উত্তর (১-২ মার্কস)
প্র: Software Uninstall ও Software Delete-এর মধ্যে পার্থক্য কী?
Uninstall করলে নিয়ম মেনে সফটওয়্যার মোছা হয় এবং রেজিস্ট্রি পরিষ্কার হয়। Delete করলে শুধু ফাইল মোছা হয়, রেজিস্ট্রিতে কিছু অংশ থেকে যায় ফলে সমস্যা তৈরি হতে পারে।
প্র: হ্যাকিং কী? হ্যাকার ও ক্র্যাকারের পার্থক্য লেখো।
অনুমতি ছাড়া কোনো নেটওয়ার্কে প্রবেশ করাকে হ্যাকিং বলে। বৈধ হ্যাকার (White Hat) প্রতিষ্ঠানের নিয়োগে সিকিউরিটি পরীক্ষা করে। অবৈধ হ্যাকার বা ক্র্যাকার (Craker) ডেটা চুরি বা নষ্ট করে।
প্র: Brute Force Attack কী?
বিভিন্ন পাসওয়ার্ড বা এনক্রিপশন কি-গুলোর সংমিশ্রণ নিয়ে trial and error পদ্ধতিতে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সঠিক পাসওয়ার্ড খুঁজে বের করার পদ্ধতিকে Brute Force Attack বলে। শক্তিশালী পাসওয়ার্ড দিয়ে এটি প্রতিরোধ করা যায়।
প্র: Data Interception কী?
তথ্য আদান-প্রদানের সময় প্রেরক ও প্রাপকের মধ্যবর্তী কোনো অননুমোদিত ব্যক্তি তথ্য আড়ি পেতে চুরি করাকে Data Interception বলে। End-to-end Encryption দিয়ে এটি প্রতিরোধ করা যায়।
প্র: DDoS Attack কী?
একই সময়ে একাধিক ডিভাইস ব্যবহার করে একটি নির্দিষ্ট ওয়েবসাইট বা সার্ভারে প্রচুর ট্র্যাফিক পাঠিয়ে তা ধীর বা Crash করিয়ে দেওয়াকে DDoS (Distributed Denial of Service) Attack বলে।
প্র: Encryption কী?
মেসেজ, ডেটা বা তথ্যকে এনকোড করার এমন একটি বিশেষ প্রক্রিয়া যা অননুমোদিত কেউ পড়তে বা বুঝতে পারে না। ডেটার গোপনীয়তা ও নিরাপত্তার জন্য Encryption ব্যবহার করা হয়।
প্র: ফেইক নিউজ কী? এর আইনি শাস্তি কী?
মিথ্যা বা বিভ্রান্তিকর তথ্য সংবাদ হিসেবে ছড়িয়ে দেওয়াকে ফেইক নিউজ বলে। বাংলাদেশে তথ্য ও প্রযুক্তি আইন ২০০৬ অনুযায়ী সর্বোচ্চ ১০ বছর কারাদণ্ড বা ১ কোটি টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড হতে পারে।
প্র: সাইবার অপরাধ কাকে বলে? কয়েকটি ধরন উল্লেখ করো।
অনলাইন বা ইন্টারনেট ব্যবহার করে যে অপরাধ সংঘটিত হয় তাকে সাইবার অপরাধ বলে। ধরনগুলো: হ্যাকিং, Brute Force Attack, Data Interception, DDoS Attack, Computer Malware।
প্র: ট্রাবলশুটিং কী?
সমস্যার উৎস বা উৎপত্তিস্থল নির্ণয়ের প্রক্রিয়াকে ট্রাবলশুটিং বলে। ইলেকট্রনিক যন্ত্রের ম্যানুয়ালের শেষ দিকে সাধারণ সমস্যা ও সমাধান উল্লেখ থাকে।
প্র: সফটওয়্যার পাইরেসি কী? এর ক্ষতি কী?
লাইসেন্স ছাড়া কপিরাইটযুক্ত সফটওয়্যার অননুমোদিতভাবে ব্যবহার বা বিতরণ করাকে পাইরেসি বলে। এতে নির্মাতারা আর্থিক ক্ষতিগ্রস্ত হন এবং পাইরেটেড সফটওয়্যারে ম্যালওয়্যার থাকতে পারে।
প্র: সাইবার আক্রমণের শিকার হলে কী করতে হবে? (যেকোনো ৩টি)
১. ১০৯ বা ৯৯৯ নম্বরে যোগাযোগ করতে হবে। ২. www.rab.gov.bd-তে অভিযোগ পাঠাতে হবে। ৩. নিকটস্থ থানায় জিডি করতে হবে। ৪. BTRC-বরাবর লিখিত অভিযোগ দিতে হবে। ৫. প্রমাণ সংগ্রহ করতে হবে।
প্র: আসক্তি কী? কম্পিউটার গেমে আসক্তির ২টি লক্ষণ লেখো।
যখন কেউ জানে কাজটি ঠিক হচ্ছে না তারপরও না করে থাকতে পারে না — সেটিই আসক্তি। লক্ষণ: (১) সারাক্ষণ গেমের ভাবনা মাথায় থাকে। (২) দৈনন্দিন কাজ ও পড়াশোনায় ব্যাঘাত ঘটে।
প্র: উন্মুক্ত তথ্য ও গোপনীয় তথ্যের পার্থক্য লেখো।
উন্মুক্ত তথ্য: সবার অবাধ প্রবেশাধিকার আছে (যেমন: সংবাদ, প্রেস রিলিজ)। গোপনীয় তথ্য: শুধু অনুমোদিত ব্যক্তির মধ্যে সীমাবদ্ধ (যেমন: পাসওয়ার্ড, বাণিজ্যিক চুক্তি)।
0 Comments